বক্ষমাণ এ পুস্তিকাটি আসলে ডক্টর উমার সুলাইমান আল-আশকারের। আক্বীদার উপর আরবী ভাষায় তাঁর লিখিত মূল্যবান পুস্তিকাবলীর মধ্যে এটি একটি।
কিছু দ্বীনী ভাইয়ের প্রস্তাবকে সমর্থন করে বাংলায় রূপ দান করলাম। তবে হুবহু অনুবাদ আকারে নয়, ভাবানুবাদ আকারে বলা যায়। সওয়াবের আশায়; মহান আল্লাহ লেখককে এবং আমাদের সকলকে সওয়াবের অধিকারী করুন এবং এ কাজকে মহাকালে পরিত্রাণের অসীলা বানান।
জ্বিন-ভূত নিয়ে বহু আজগুবি কান্ড শোনা যায়। আবার সে সবকে অস্বীকার ও অবিশ্বাস করতেও শোনা যায় অনেকের কাছ থেকে। অথচ ফিরিশ্তা-জগতের মতো এটাও একটা পৃথক অদৃশ্য ও রহস্যময় জগৎ। আমাদের উচিত, তাই মানা, যা কিতাব ও সহীহ সুন্নাহ থেকে প্রমাণিত। জ্ঞানে ধরলে ভালো কথা, নচেৎ তার প্রকৃতত্ব ও বাস্তবিকতা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের জ্ঞানের উপর ছেড়ে দেওয়া এবং যেভাবে বর্ণিত হয়েছে, সেইভাবেই তা বিশ্বাস রাখা। এটাই প্রকৃত মু’মিনের গুণ।
ইসলাম জ্বিন ও শয়তানের অস্তিত্বকে বিশ্বাস করে। মনুষ্য জাতির সৃষ্টির আদিকাল থেকেই ইতিহাসে জড়িত শয়তানের নাম। মহান আল্লাহ তাদের ব্যাপারে একটি পূর্ণ সূরাই অবতীর্ণ করেছেন, তার নাম হয়েছে ‘সূরা জ্বিন।’
সেই মৌলিক ভিত্তিতেই আমাদের পদক্ষেপ। ‘গোড়া থেকে শুরু কর, ভিতের উপর জীবন গড়’---এই আমাদের নীতি। মহান আল্লাহ যেন আমাদের প্রচেষ্টা ও প্রয়াসকে কবুল করুন। আমীন।
Select a category to view subcategories